সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত – জীবন ও সাহিত্য
বাংলা কাব্যধারায় কবি সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত -এর স্থান চিরস্থায়ী হয়ে আছে। তাঁর ছন্দ-বৈচিত্র্যময় কবিতা অধিক পরিমাণে পাঠকচিত্তকে দোলা দিয়ে যায়। বাঙালি
কাব্য ও কবিতা বাংলা সাহিত্যের বিশেষ একটি পর্যায়। আমরা এই বিভাগে বাংলা সাহিত্যের বিভিন্ন কাব্য ও কবি সম্পর্কে আলোচনা করেছি। পাঠক পাঠিকা তাদের প্রয়োজন অনুসারে এই বিভাগটি পড়ে দেখুন।
বাংলা কাব্যধারায় কবি সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত -এর স্থান চিরস্থায়ী হয়ে আছে। তাঁর ছন্দ-বৈচিত্র্যময় কবিতা অধিক পরিমাণে পাঠকচিত্তকে দোলা দিয়ে যায়। বাঙালি
শক্তি চট্টোপাধ্যায় জীবনানন্দ-উত্তর একজন প্রধান কবি। কবিতার পাশাপাশি গদ্যসাহিত্য ও উপন্যাসও লিখেছেন তিনি। শুধু তাই নয়, ষাটের দশকের হাংরি আন্দোলনের জনকও
রবীন্দ্র-পরবর্তী কবিদের মধ্যে অন্যতম হলেন করুণানিধান বন্দ্যোপাধ্যায় (১৮৭৭ – ১৯৫৫)। তাঁর কাব্য-কবিতায় আছে বাংলাদেশের প্রকৃতির কথা, স্বদেশপ্রেমের পরিচয়। আমাদের এই
বাংলা কাব্যসাহিত্যে একজন বিশিষ্ট মহিলা কবি হলেন হিরণ্ময়ী দেবী । বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় তাঁর বেশ কিছু সুমধুর কবিতা প্রকাশিত হয়েছিল। তাঁর
বাংলা সাহিত্যে মাইকেল মধুসূদন দত্ত -এর অবদান বলার অপেক্ষা রাখে না। তাঁর সাহিত্যসৃষ্টির শিল্পমূল্য শাশ্বত। শুধু সমকাল নয়, পরবর্তী বাংলা
কবি রাম বসু (Ram Basu) মুখ্যত পরিচিত একজন কবি হিসেবে। কিন্তু শুধু কাব্য রচনাই নয়, সাহিত্যের অন্যান্য ক্ষেত্রেও ছিল তাঁর
কবি এবং সাহিত্যিক সুধীন্দ্রনাথ দত্ত (Sudhindranath Datta) আধুনিক বাংলা সাহিত্যের অন্যতম একজন কবি। তাঁর সম্পর্কে রবীন্দ্রনাথ বলেছিলেন, ‘মননশীল তাঁর মন, তিনি
অমিয় চক্রবর্তী (Amiya Chakrabartty) শুধুমাত্র একজন কবি নন, তাঁর চরিত্রে নিহিত ছিল আরও নানা সত্তা। তাঁকে আমরা এক সাথে গীতিকার,
ইংরেজি ভাষা তাঁর আয়ত্তের মধ্যে ছিল না, এমন কি সেই সময়কার অর্থকরী ভাষা ফারসীও ”কাজ চলা গোছের জানা”ছিল, কবিতা রচনাই
কাজী নজরুল ইসলাম বাংলা সাহিত্যে বিদ্রোহী কবি নামে পরিচিত। তাঁর বিদ্রোহ যা কিছু অন্যায়, শোষণ, সামাজিক অত্যাচার তথা সমকালীন ইংরেজ সরকারের